একাদশ খণ্ড

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র থেকে বলছি (একাদশ খণ্ড)

দলিল প্রসঙ্গঃ সশস্ত্র সংগ্রাম (৩)

পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধ এবং আক্রমণের তৎপরতা সংক্রান্ত তথ্য ও প্রতিবেদনভিত্তিক দলিলপত্র বর্তমান খণ্ডে সন্নিবেশিত হয়েছে। যুদ্ধকালীন বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ও সেক্টরসমূহে নিয়মিত ও মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা স্বাধীনতার লক্ষ্যে যে তৎপরতা চালাতেন সে সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রেরিত হতো বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদর দফতরে। সেগুলোই যুদ্ধ পরিস্থিতি প্রতিবেদন হিসাবে প্রচার ও প্রকাশনার জন্য পত্রপত্রিকা ও বেতারে পাঠানো হতো। এগুলো প্রতিটিই সরকারি দলিল। বর্তমানে গ্রন্থে মুদ্রিত প্রতিবেদনসমূহে স্বাধীনতা যুদ্ধের গোটা সময়কাল বিধৃত হলেও মুক্তিযোদ্ধাদের দেশব্যাপী পরিচালিত অভিযানের খুব সামান্যই এতে উল্লেখিত হয়েছে। এর কারণ সংগ্রহ অ সংগঠন থেকে শুরু করে প্রতিরোধ ও আক্রমণ পর্যন্ত প্রক্রিয়া এক কথায় যুদ্ধের পুরো সময়টাই এত অনিশ্চয়তাপূর্ন ছিল যে সে সময় এমনিতর প্রতিবেদন নিয়মিত পাঠানো হয় নি । তথাপি এই খণ্ডে সন্নিবেশিত দলিল সমূহ মুক্তিযোদ্ধাদের তৎপরতা ও যুদ্ধের গতিধারার একটি প্রতিনিধিত্বশীল চিত্র তুলে ধরবে। উল্লেখ্য যে পর্যাপ্ত প্রতিবেদনের অভাবজনিত শূন্যতা পূরণের জন্য গ্রন্থের শেষ অংশে সংযোজিত হয়েছে পত্রও পত্রিকায় রণাঙ্গন সংবাদ (পৃষ্ঠা – ৬৪০) । এগুলোর কোন কোন পত্রিকা ছিল হস্ত লিখিত ও সাইক্লোস্টাইলকৃত। যুদ্ধের দৈনন্দিন ঘটনা প্রবাহের সংবাদ প্রকাশে এসব পত্র পত্রিকার ভূমিকা ছিল অসাধারণ। এগুলির মধ্য দিয়ে ঘটনা প্রবাহের ধারাবাহিকতা সম্পর্কে যেমন ধারনা লাভ করা যাবে তেমনি যুদ্ধ পরিস্থিতির মূল্যায়ন করাও অনেকাংশে সম্ভব হবে। এই অংশে তারিখের ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রয়োজনে ভারতের পত্র পত্রিকার সহায়তা নেয়া হয়েছে। স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালনায় অস্থায়ী সরকারের ভুমিকা ছিল ফলপ্রসূ। যুদ্ধের সার্বিক ব্যাবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধানের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে প্রচারিত প্রচারপত্র , বিবৃতি ও বেতার ভাষণের মধ্য দিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে স্বাধীনতার মহান লক্ষে জনগণ ও মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করার প্রচেষ্টা গৃহীত হত। এরই উদাহরণ হিসেবে অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের দুটি বেতার ভাষণ বত্ত্রমান খণ্ডে সন্নিবেশিত হয়েছে। ( পৃষ্ঠা ১৭৮ – ৮০, ১৮২- ১৮৩)। এই ভাষণ দুটিতে প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতা সংগ্রামের পটভূমি ব্যাখ্যা করে পাকিস্তানের সামরিক জান্তার স্বরূপ ও উদ্যেশ্য তুলে ধরেছেন, স্বাধীনতা বিরোধী আন্তর্জাতিক শক্তি সমূহের তীব্র সমালোচনা করেছেন। এবং আহ্বান জানিয়েছেন চূড়ান্ত লক্ষ স্বাধীনতা অর্জন পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাবার জন্য। মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক কর্নেল এম এ জি ওসমানীর ও এমনি একটি বেতার ভাষণ মুদ্রিত হয়েছে গ্রন্থের ১৮৪ পৃষ্ঠায়। এতে তিনি যুদ্ধ পরিচথিতির ব্যাখ্যা করে মুক্তিযোদ্ধাদের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তাদের মনোবল সমুন্নত রাখার আহবান জানিয়ে শহীদ ও বীর যোদ্ধাদের জন্য ঘোষণা করেন সন্মান জনক পদক ও নগদ আর্থিক পুরষ্কার প্রদানের সরকারি সিদ্ধান্তের কথা । সর্বাধিনায়ক হিসাবে তিনি বিভিন্ন সময়ে সেক্টর কমান্ডারদের উৎসাহিত করে যে চিঠিপত্র লিখতেন তার নমুনা হিসাবে মুদ্রিত হয়েছে ৪ টি চিঠি। (পৃষ্ঠা ৪৮৭, ৪৮৮- ৮৯, ৪৯৪, ৫০০)। এই চিঠি গুলি ও কোন কোনটিতে ছিল পদক ও পুরষ্কারের জন্য সুপারিশ করে নাম পাঠানোর তাগিদ। মুক্তিযোদ্ধাদের পদক প্রাপ্তির জন্য পেশ কৃত দুটি সুপারিশ নামা মুদ্রিত হয়েছে বর্তমান গ্রন্থে। (পৃষ্ঠা – ৪৯০-৪৯৩)। যুদ্ধ কালে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীতে ভর্তির জন্য ব্যাবহ্রিত ফর্ম (পৃষ্ঠা – ৫৩০ – ৫৩২) এবং বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর রেকর্ড অব পেমেন্টফর্ম ( পৃষ্ঠা ৫২৬-৫২৭) মুদ্রিত হয়েছে নমুনা হিসেবে। গেরিলা যুদ্ধের কৌশল অবলম্বন করে স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালিত হলেও মুক্তিযোদ্ধাদের খুব সম্মান্য সংখ্যক ই এ সম্পর্কে গ্যাং বা ধারনা ছিল। এই অভাব পূরণের লক্ষ্যে ৮ নং সেক্টরের অধিনায়ক মেজর এম এ মঞ্জুর প্রণীত বাংলার মুক্তিযুদ্ধ নামের পুস্তিকাটি মুদ্রিত হয়েছে বর্তমান গ্রন্থে (পৃষ্ঠা – ৪৮২ – ৪৮৬)। এ ছাড়া গেরিলাদের সহায়ক শিক্ষা মূলক অপর একটি ইশতেহার গেরিলা যুদ্ধ ও প্রাসঙ্গিক বলে সন্নিবেশিত করা হয়েছে (পৃষ্ঠা – ৫০১-৫০৪)। যুদ্ধ পরিচালনার পাশাপাশি মুক্তুযোদ্ধারা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক তৎপরতাও চালাতেন। তাড়া বিভিন্ন প্রচারপত্র ও ইশতেহারের মাধ্যমে জনগণকে যেমন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ ও সমর্থনের আহবান জানাতেন, অন্যদিকে তেমনি রাজাকার, আল বদর ও তাদের সহযোগীদের তাদের পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়ে দল ত্যাগের পরামর্শ দিতেন ( পৃষ্ঠা – ৫১১, ৫২৯, ৫৩৬, ৬২৬- ২৮) । তাড়া মুক্তিযোদ্ধা ও জনগণকে পরিচিতিপত্র প্রদান ( পৃষ্ঠা – ৫০৯, ৫৩৮) , ব্যাবসা বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ এবং রাজস্ব আদায় করতেন ( পৃষ্ঠা ৫২২-২৩)। স্বাধীনতা যুদ্ধকালের একটি উল্ল্যেখযোগ্য ঘটনা ছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এক দল তরুণ অফিসারের প্রথম কমিশনপ্রাপ্তি। ১৯৭১ সালের ৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত অভিষেক অনুষ্ঠান শেষে কমিশন প্রদান করেছিলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম (পৃষ্ঠা – ৭০৮) । প্রথম দলে কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারদেরই একজন লে ওয়ালী তার ডায়েরীতে ৫৪ জন সহকর্মীর স্বাক্ষর সহ বক্তব্য রেখেছিলেন প্রশিক্ষণ চলা কালে। এগুলি বর্তমান খণ্ডে সন্নিবেশিত হল এই উদ্যেশ্যে যে, এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রথম কমিশনপ্রাপ্ত তরুণ অফিসারদের দেশপ্রেম ও স্বাধীনতার তীব্র আকাঙ্ক্ষার পরিচয় মিলবে। ( পৃষ্ঠা ৬৩১-৬৩৯) । স্বাধীনতা যুদ্ধকালে শত্রুর হাতে অসহায় ভাবে যে লক্ষ জনতা প্রাণ হারিয়েছেন তাদের নাম যেমন রক্ষিত হয়নি তেমনি রক্ষা করা যায়নি প্রতিটি শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামও। তথাপি অধিনায়ক বা সহ যোদ্ধাদের কেউ কেউ চেষ্টা করেছিলেন সামান্য সংখ্যকের হলেও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নাম লিপিবদ্ধ করার। এই প্রচেষ্টার ফলশ্রুতিতে ১ ও ১১ নগ সেক্টর দ্বয়ের শহীদ দের মধ্যে যাদের কথা জানা গেছে তাদের নাম মুদ্রিত হয়েছে বর্তমান গ্রন্থের ৫৪৬ পৃষ্ঠায়।

সূচিপত্র

(ডিজিটাইজেশনের তারিখঃ ২২-১০-২০১৬ খ্রিঃ)

(পৃষ্ঠা নাম্বারগুলো মূল দলিলের পৃষ্ঠা নাম্বার অনুযায়ী লিখিত)

ক্রমিক শিরোনাম পৃষ্ঠা অনুবাদক
১।  মুক্তিসেনাদের সাফল্য বর্ণনা করে প্রকাশিত কয়েকটি প্রতিবেদন অপরাজিতা নীল
২।  বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী সদর দপ্তর প্রকাশিত বিভিন্ন সেক্টরের যুদ্ধ পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রতিবেদনমালা আশরাফি নীতু
ইফফাত-ই-ফারিয়া
ফজলে রাব্বী সেতু
অপরাজিতা নীল
কাজী ওয়াসিমুল হক
৩।  বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী সদর দপ্তর প্রকাশিত যুদ্ধ পরিস্থিতি সংক্রান্ত আরো কয়েকটি প্রতিবেদন ৪৩ রাজিবুল বারী
৪। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী সদর দপ্তর প্রকাশিত যুদ্ধ ইস্তেহার (১ম অংশ)

বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী সদর দপ্তর প্রকাশিত যুদ্ধ ইস্তেহার (২য় অংশ)

বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী সদর দপ্তর প্রকাশিত যুদ্ধ ইস্তেহার (৩য় অংশ)

৫০ রাজিবুল বারী
৫।  ইয়াহিয়ার সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার স্বরূপ উদঘাটন করে প্রকাশিত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর একটি বিশেষ ইস্তেহার ১৭৬ রাজিবুল বারী
৬।  বাংলাদেশ সশস্ত্র সংগ্রামের উপর একটি পর্যালোচনাঃ প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীনের বক্তৃতা ১৭৮ রাজিবুল বারী
৭।  সিলেট অঞ্চলে মুক্তিসেনাদের প্রচণ্ড লড়াইয়ের সংবাদ জানিয়ে প্রেরিত একটি তারবার্তা ১৮১ রাজিবুল বারী
৮।  বাংলাদেশের সশস্ত্র সংগ্রাম সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীনের আবারও ভাষণ ১৮২ অপরাজিতা নীল
৯।  বাংলাদেশ মুক্তিবাহিনীর উদ্দেশ্যে প্রধান সেনাপতি কর্নেল এম, এ, জি, ওসমানীর ভাষণ ১৮৪ রাজিবুল বারী
১০।  দক্ষিণ-পূর্ব জোন-এর মুক্তিবাহিনীর লড়াইয়ের খবর ১৯০ ফজলে রাব্বী সেতু
১১।  বাংলাদেশে হানাদার বাহিনীর নৃশংসতা সম্পর্কে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি ১৯২ রাজিবুল বারী
১২।  যুদ্ধ পরিস্থিতি সম্পর্কে সেক্টরসমূহের রিপোর্ট ১৯৪ রাজিবুল বারী
১৩।  যুদ্ধ পরিস্থিতি রিপোর্টঃ শিকারপুর সাব সেক্টর ৩২৬ রাজিবুল বারী
১৪।  যুদ্ধ পরিস্থিতি রিপোর্টঃ ৩২৭ রাজিবুল বারী
১৫।  যুদ্ধ পরিস্থিতি রিপোর্টঃ বনগাঁও সাব সেক্টর ৩৩৩ রাজিবুল বারী
১৬।  যুদ্ধ পরিস্থিতি রিপোর্টঃ বনগাঁও সাব সেক্টর ৩৩৫ রাজিবুল বারী
১৭।  যুদ্ধ পরিস্থিতি রিপোর্টঃ ৩৪১ রাজিবুল বারী
১৮।  যুদ্ধ পরিস্থিতি রিপোর্টঃ বয়রা সাব সেক্টর ৩৪৪ রাজিবুল বারী
১৯।  যুদ্ধ পরিস্থিতি রিপোর্টঃ বয়রা সাব সেক্টর ৩৬৩ রাজিবুল বারী
২০।  যুদ্ধ পরিস্থিতি রিপোর্টঃ লালগোলা সাব সেক্টর ৩৬৭ রাজিবুল বারী
২১।  যুদ্ধ পরিস্থিতি রিপোর্টঃ বেতাই সাব সেক্টর ৩৭২ রাজিবুল বারী
২২।  যুদ্ধ পরিস্থিতি রিপোর্টঃ বেতাই সাব সেক্টর ৩৮১ রাজিবুল বারী
২৩।  যুদ্ধ পরিস্থিতি রিপোর্টঃ শিকারপুর সাব সেক্টর ৩৮৪ রাজিবুল বারী
২৪।  যুদ্ধ পরিস্থিতি রিপোর্টঃ শিকারপুর সাব সেক্টর ৩৯২ রাজিবুল বারী
২৫।  যুদ্ধ পরিস্থিতি রিপোর্টঃ গোজাডাঙ্গা সাব সেক্টর ৩৯৪ রাজিবুল বারী
২৬।  যুদ্ধ পরিস্থিতি রিপোর্টঃ গোজাডাঙ্গা সাব সেক্টর ৪০৮ রাজিবুল বারী
২৭।  যুদ্ধ পরিস্থিতি রিপোর্টঃ বানপুর সাব সেক্টর ৪১৪ রাজিবুল বারী
২৮।  যুদ্ধ পরিস্থিতি রিপোর্টঃ বানপুর সাব সেক্টর ৪৩৩ রাজিবুল বারী
২৯।  যুদ্ধ পরিস্থিতি রিপোর্টঃ হাকিমপুর সাব সেক্টর ৪৪২ রাজিবুল বারী
৩০।  যুদ্ধ পরিস্থিতি রিপোর্টঃ হাকিমপুর সাব সেক্টর ৪৫৩ রাজিবুল বারী
৩১।  যুদ্ধ পরিস্থিতি রিপোর্টঃ ৪৫৫ রাজিবুল বারী
৩২।  যুদ্ধ পরিস্থিতি রিপোর্টঃ টাইগার কোম্পানী ৪৫৭ রাজিবুল বারী
৩৩।  যুদ্ধ পরিস্থিতি রিপোর্টঃ ৪৫৯ রাজিবুল বারী
৩৪।  যুদ্ধ পরিস্থিতি রিপোর্টঃ বানপুর সাব সেক্টর ৪৬১ রাজিবুল বারী
৩৫।  যুদ্ধ সংক্রান্ত গোয়েন্দা রিপোর্ট ৪৬৬ রাজিবুল বারী
৩৬।  যুদ্ধ পরিস্থিতি রিপোর্টঃ হিংগলগঞ্জ সাব সেক্টর ৪৭৮ রাজিবুল বারী
৩৭।  ৮ নং সেক্টর কমান্ডারের একটি গোপন চিঠি ৪৮০ সানিয়াত ইসলাম
৩৮।  মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক কর্নেল এম, এ, জি ওসমানীর একটি চিঠি ৪৮৭ সানিয়াত ইসলাম
৩৯।  মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়কের একটি চিঠি ৪৮৮ রাজিবুল বারী
৪০।  মুক্তিযোদ্ধাদের পদক প্রাপ্তির জন্য সুপারিশনামা ফরম ৪৯০ রাজিবুল বারী
৪১।  মুক্তিযোদ্ধাদের পদক প্রাপ্তির জন্য সুপারিশনামা ফরম ৪৯২ রাজিবুল বারী
৪২।  মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়কের একটি চিঠি ৪৯৪ রাজিবুল বারী
৪৩।  মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়কের লেখা ১ নং সেক্টর কমান্ডারের একটি পত্র ৪৯৫ সায়মা তাবাসসুম উপমা
৪৪।  ১ নং সেক্টর কমান্ডারের একটি গোপন চিঠি ৪৯৯ রাজিবুল বারী
৪৫।  মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়কের অফিস থেকে পাঠানো একটি চিঠি ৫০০ রাজিবুল বারী
৪৬।  গেরিলাযুদ্ধ সংক্রান্ত একটি ইশতেহার ৫০১ ইশরাত আরা
৪৭।  একজন গেরিলার যুদ্ধপরিস্থিতি সম্পর্কে একটি চিঠি ৫০৫ ইশরাত আরা
৪৮।  যুদ্ধপরিস্থিতি রিপোর্ট ৫০৭ রাজিবুল বারী
৪৯।  যুদ্ধপরিস্থিতি রিপোর্ট ৫০৮ রাজিবুল বারী
৫০।   মুক্তিবাহিনী প্রদত্ত পরিচিতিপত্র ৫০৯ নীলাঞ্জনা অদিতি
৫১।  যুদ্ধপরিস্থিতি সংক্রান্ত জনৈক মুক্তিযোদ্ধার চিঠি ৫১০ নীলাঞ্জনা অদিতি
৫২।  টাঙ্গাইলের মুক্তিবাহিনীর একটি ইশতেহার ৫১১ নীলাঞ্জনা অদিতি
৫৩।  যুদ্ধপরিস্থিতি সংক্রান্ত জনৈক মুক্তিযোদ্ধার চিঠি ৫১২ আদ্রিতা মেহজাবিন
৫৪।  জনৈক মুক্তিযোদ্ধার সংকেতপূর্ণ চিঠি ৫১৩ নীলাঞ্জনা অদিতি
৫৫।  জনৈক মুক্তিযোদ্ধার চিঠি ৫১৪ নীলাঞ্জনা অদিতি
৫৬।  জনৈক মুক্তিযোদ্ধার সংকেতপূর্ণ চিঠি ৫১৫ নীলাঞ্জনা অদিতি
৫৭।  একটি অফিসীয় নির্দেশ ৫১৬ রাজিবুল বারী
৫৮।  টাঙ্গাইলের একজন গেরিলা কমান্ডারের চিঠি ৫১৭ আদ্রিতা মেহজাবীন
৫৯।  জনৈক মুক্তিযোদ্ধার সংকেতপূর্ণ চিঠি ৫১৮ রাশেদ ইসলাম
৬০।  জনৈক মুক্তিযোদ্ধার সংকেতপূর্ণ চিঠি ৫১৯ আদ্রিতা মেহজাবীন
৬১।  ক্যাপ্টেন এম, এ হামিদের একটি চিঠি ৫২০ অয়ন মুক্তাদির
৬২।  টাঙ্গাইলের মুক্তিযোদ্ধাদের রাজস্ব আদায়ের রশিদ ৫২২ রাশেদ ইসলাম
৬৩।  যুদ্ধপরিস্থিতি সংক্রান্ত জনৈক মুক্তিযোদ্ধার চিঠি ৫২৪ রাশেদ ইসলাম
৬৪।  একটি অফিসীয় নির্দেশ ৫২৫ রাজিবুল বারী
৬৫।  বাংলাদেশ বাহিনীর রেকর্ড অব পেমেন্ট ফর্ম ৫২৬ রাজিবুল বারী
৬৬।  রেকর্ড অব পেমেন্ট ফর্ম ৫২৭ রাজিবুল বারী
৬৭।  জামালপুরের একটি বিজ্ঞপ্তি ৫২৮ রানা আমজাদ
৬৮।  বাঙালি রাজাকার ও বদরবাহিনীর প্রতি মুক্তিযোদ্ধাদের আহবান ৫২৯ রানা আমজাদ
৬৯।  প্রতিরক্ষা বাহিনীর ভর্তি ফরম ৫৩০ রানা আমজাদ
৭০।  মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের শপথনামা ৫৩৩ রানা আমজাদ
৭১।  মুজিবনগর সরকারের পক্ষ থেকে প্রচারিত একটি ঘোষণা ৫৩৪ রানা আমজাদ
৭২।  উত্তর অঞ্চলের মুক্তিবাহিনী প্রধানের নির্দেশাবলী ৫৩৬ রানা আমজাদ
৭৩।  জনৈক মুক্তিযোদ্ধার পত্র ৫৩৭ রানা আমজাদ
৭৪।  জনৈক মুক্তিযোদ্ধার পরিচিতিপত্র ৫৩৮ রানা আমজাদ
৭৫।  বিমান আক্রমণকালীন সতর্কতা সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তি ৫৩৯ রানা আমজাদ
৭৬।  জনগণের প্রতি সরকারের নির্দেশ ৫৪০ রানা আমজাদ
৭৭।  ১নং সেক্টর কমান্ডারের একাত্তরের ডায়েরী ৫৪১ রাজিবুল বারী
৭৮।  ১ নং সেক্টরের শহীদদের তালিকা ৫৪৬ রানা আমজাদ
৭৯।  ১ নং সেক্টরে শহীদদের নামের তালিকা ৫৫৭ রানা আমজাদ
৮০।  ১১ নং সেক্টরের শহীদদের নামের তালিকা ৫৬২ রানা আমজাদ
৮১।  মাজদিয়া যুব শিবির কর্তৃপক্ষের একটি চিঠি ৫৭৬ আদ্রিতা মেহজাবীন
৮২।  অস্ত্র সরবরাহ সংক্রান্ত একটি চিঠি ৫৭৭ রাজিবুল বারী
৮৩।  অস্ত্র সংক্রান্ত একটি চিঠি ৫৭৮ অয়ন মুক্তাদির
৮৪।  নায়েক হযরত আলীর একটি চিঠি ৫৭৯ রাশেদ ইসলাম
৮৫।  মুজিবনগর স্বরাষ্ট্র দপ্তর থেকে পুলিশের উদ্দেশ্যে প্রচারিত একটি নির্দেশনামা ৫৮০ রাশেদ ইসলাম
৮৬।  লেঃ মতিউর রহমানের একটি চিঠি ৫৮২ রাজিবুল বারী
৮৭।  একটি প্রচারপত্র ৫৮৩ রাশেদ ইসলাম
৮৮।  মাজদিয়া যুব শিবির কর্তৃপক্ষের একটি চিঠি ৫৮৫ রাশেদ ইসলাম
৮৯।  অস্ত্র সংক্রান্ত একটি চিঠি ৫৮৬ রাজিবুল বারী
৯০।  ফুলবাড়ী থানা সংগ্রাম পরিষদের একটি চিঠি ৫৮৭ রাজিবুল বারী
৯১।  অস্ত্র সংক্রান্ত জনৈক মুক্তিযোদ্ধা অফিসারের একটি চিঠি ৫৮৮ রাজিবুল বারী
৯২।  অস্ত্র সরবরাহ সংক্রান্ত একটি চিঠি ৫৯০ অয়ন মুক্তাদির
৯৩।  জনৈক মুক্তিযোদ্ধার একটি চিঠি ৫৯১ অয়ন মুক্তাদির
৯৪।  গেরিলা যোদ্ধাদের প্রয়োজন সংক্রান্ত একটি চিঠি ৫৯৭ অয়ন মুক্তাদির
৯৫।  ৫ নং সেক্টর থেকে লিখিত জনৈক মুক্তিযোদ্ধার একটি চিঠি ৬১০ রাজিবুল বারী
৯৬।  ৬ নং সেক্টরের তৎপরতা সংক্রান্ত কিছু তথ্য ৬১২ রাজিবুল বারী
৯৭।  ৮ নং সেক্টরের তৎপরতা সংক্রান্ত কিছু তথ্য ৬১৯ রাজিবুল বারী
৯৮।  ৯ নং সেক্টরের ট্রুপস গঠন সংক্রান্ত তথ্য ৬২৯ উমাইজা উমু
৯৯। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রথম কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারদের অটোগ্রাফ ৬৩১ অপরাজিতা নীল
১০০। পত্রপত্রিকায় রণাঙ্গন সংবাদ ১ম অংশ)

পত্রপত্রিকায় রণাঙ্গন সংবাদ (২য় অংশ)

পত্রপত্রিকায় রণাঙ্গন সংবাদ (৩য় অংশ)

৬৪০ অপরাজিতা নীল

সাইটে অনুবাদকৃত একাদশ খণ্ডের দলিলসমূহ মূল দলিলের সাথে ক্রস-ভেরিফিকেশনের জন্য এই উইকিসোর্স লিঙ্কে ক্লিক করুন। উল্লেখ্য, মূল দলিলে উল্লিখিত পৃষ্ঠা নম্বরের সাথে ‘২৫’ যোগ করলে উইকিসোর্সে সংশ্লিষ্ট পৃষ্ঠা পাওয়া যাবে। যেমন মূল দলিলের ৬৪০ নম্বর পৃষ্ঠাটি দেখার জন্য উইকিসোর্সের (৬৪০+২৫) বা, ৬৬৫ নং পৃষ্ঠাটি দেখুন।